স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি:বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেছে।
পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের প্রসার:পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে সহায়তা করা হচ্ছে।
প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেবার উন্নতি:উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেবার মান উন্নত হয়েছে, যা রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করছে।
জরুরী স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি:উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে জরুরী স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সৃষ্টিকর্তা ও রোগীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন:উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডাক্তার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছেন, যা রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে উৎসাহিত করে।
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি:প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে, যা গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি সহজ করেছে।